বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত যেভাবে জড়িয়েছিল
১৯৭১ সালের ৩রা ডিসেম্বর বিকেল। এ সময় ভারতের তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল স্যাম মানেকশ’র একটি টেলিফোন আসে ভারতের ইস্টার্ন আর্মির চিফ অফ স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল জ্যাক জেকবের কাছে।
জেনারেল জেকবকে সেনাপ্রধান মানেকশ যে বার্তা দিয়েছিলেন সেটি হচ্ছে, পাকিস্তানী বিমান থেকে ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে এয়ারফিল্ডগুলোতে বোমাবর্ষণ করা হয়েছে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে অবহিত করার জন্য জেনারেল জেকবকে পরামর্শ দেয়া হয়।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী কলকাতা সফরে এসে তখন রাজভবনে অবস্থান করছিলেন।পাকিস্তান ভারতের ভেতরে বোমা ফেলার খবরে ভারতীয় সেনা কর্মকর্তারা মোটেও উদ্বিগ্ন হলেন না।বরং এ ধরণের একটি সংবাদের জন্য বরং ভারতীয় সেনা কর্মকর্তারা অপেক্ষায় ছিলেন।
‘সারেন্ডার অ্যাট ঢাকা’ বইতে জেনারেল জেকব লিখেছেন, “অরোরা (জগজিৎ সিং অরোরা) ছিলেন খুবই উৎফুল্ল। তিনি তার এডিসিকে মেস থেকে এক বোতল হুইস্কি আনার নির্দেশ দিলেন। আমরা বুঝে নিলাম যে আগামী বেশ কিছুদিন আর বিশ্রামের সুযোগ পাওয়া যাবে না।”

তখন থেকে শুরু হয়ে যায় ভারত-পাকিস্তান সর্বাত্মক যুদ্ধ। মাত্র ১৩ দিনের যুদ্ধে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় পাকিস্তান।এর আগে থেকেই ভারত ও পাকিস্তান উভয়েই পশ্চিম সীমান্তে সৈন্য সমাবেশ করেছে।পরিস্থিতি এমন হয়েছিল যে কোন সময় দুই দেশ যুদ্ধে জড়িয়ে যাবার আশংকা করা হচ্ছিল বেশ কয়েকমাস আগে থেকেই।
ভারতের যুদ্ধে জড়ানো ছিল সময়ের ব্যাপার
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তানী বাহিনী ঢাকায় গণহত্যা চালানোর পর পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।
কয়েক মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ থেকে প্রায় এক কোটি শরণার্থী সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে অবস্থান নেয়।
প্রকৃতপক্ষে তখন থেকেই ভারত পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সাথে জড়িয়ে যায়।

ছবির উৎস,GETTY IMAGES ছবি: ১৯৭১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
১৯৭১ সালের ১৭ ই এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠিত হবার এক সপ্তাহের মধ্যেই ভারতের স্বীকৃতি চেয়ে চিঠি দেন বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
কিন্তু কৌশলগত কারণে ভারত ছিল তখন সাবধানী।বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার ভারতের মাটিতে বসেই পরিচালিত হতো। এতে ভারত সরকারের সর্বাত্মক সহায়তা ছিল।এছাড়া মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা ভারতের মাটিতেই প্রশিক্ষণ নিয়েছে এবং ভারত তাদের অস্ত্র সরবরাহ করেছে।
অন্যদিকে এক কোটি বাংলাদেশী শরণার্থীকে সহায়তা করেছে ভারত।
বাংলাদেশ যুদ্ধ জয়ের কৃতিত্ব নিয়ে পাল্টা-পাল্টি দাবী
পাকিস্তানী বাহিনীর গণহত্যা নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে বোঝানোর জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী জুন মাস থেকে বিভিন্ন দেশে সফর শুরু করেন।
পাকিস্তানী বাহিনী কিভাবে গণহত্যা চালাচ্ছে এবং এর ফলে ভারত কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সে বিষয়টি বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানের কাছে তুলে ধরেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। প্রকৃতপক্ষে, সেসব সফরের মধ্য দিয়ে মিসেস গান্ধী পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক হস্তক্ষেপের ভিত্তি তৈরি করেন।
যুদ্ধ নিয়ে ইন্দিরা গান্ধীর ইঙ্গিত
১৯৭১ সালের ২৪শে মে ভারতের লোকসভায় এক বক্তব্যে ইন্দিরা গান্ধী বলেন, যে বিষয়টিকে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে, সেটি ভারতেরও অভ্যন্তরীণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইন্দিরা গান্ধীর সে ভাষণ ঢাকাস্থ ভারতীয় দূতাবাসের ওয়েবসাইটে তুলে ধরা হয়েছে।
পূর্ব পাকিস্তান থেকে যাওয়া শরণার্থীদের কথা উল্লেখ করে মিসেস গান্ধী বলেন, ভারতের ভূমি ব্যবহার করে এবং ভারতকে ক্ষতিগ্রস্ত করে পাকিস্তান তাঁর সমস্যা সমাধানের করতে পারেন না । এটা হতে দেয়া যায়না।
১৯৭১ সালের মাঝামাঝি বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বলেন, সীমান্তে পাকিস্তানের সাথে সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে।

ছবির উৎস,GETTY IMAGES ছবি:তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের পরিস্থিতি বোঝানোর জন্য আমেরিকার প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের সাথে হোয়াইট হাউজে বৈঠক করেন ইন্দিরা গান্ধী।
মিসেস গান্ধীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ভারত পাকিস্তানকে আক্রমণ করতে পারে কি না?
জবাবে মিস গান্ধী বলেন, “আমি আশা করি ভারত সেটা করবে না। আমরা সবসময় শান্তির পক্ষে। আমরা আলোচনায় বিশ্বাস করি। তবে একই সাথে আমরা আমাদের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না।”
ইন্দিরা গান্ধী বেশ জোর দিয়ে বলেন, পাকিস্তান আর আগের মতো হবে না। তিনি একই সাথে সতর্ক করে বলেন, প্রতিবেশী দেশে যা ঘটছে সে ব্যাপারে ভারত চোখ বন্ধ করে রাখতে পারে না।
কিসিঞ্জারের চীন সফর – গেম চেঞ্জার
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে ভারতের উদ্বেগ ও অস্থিরতা ক্রমেই তীব্র থেকে তীব্রতর থাকে।
একদিকে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া এক কোটি শরণার্থীর চাপ, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক রাজনীতি – এ দুটো কারণে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করতে থাকে।
ভারত যে কোন সময় পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক হস্তক্ষেপ করতে পারে – পাকিস্তান সরকারের মনে এই আশংকা বরাবরই ছিল।
প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের অন্যতম উপদেষ্টা জি.ডব্লিউ চৌধুরীর মতে জুলাই মাসেই পাকিস্তান সরকার জানতে পারে যে ভারত সামরিক প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এর সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে , মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারের গোপনে চীন সফর।

ছবির উৎস,BETTMANN ছবি:পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খানের সাথে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের সুসম্পর্ক ছিল।
ইয়াহিয়া খানের উপদেষ্টা মি. চৌধুরী তার ‘লাস্ট ডেইজ অব ইউনাইটেড পাকিস্তান’ বইতে লিখেছেন, হেনরি কিসিঞ্জার গোপনে চীন সফরে যাবার পথে রাওয়ালপিন্ডিতে গিয়েছিলেন।
মি. কিসিঞ্জার চীন থেকে ওয়াশিংটনে ফিরে যাবার পরে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে বলেছিলেন, ভারত যদি পূর্ব পাকিস্তানের আক্রমণ করে তাহলে চীন হস্তক্ষেপ করবে।
মি. কিসিঞ্জারের চীন সফরের পরেই ইন্দিরা গান্ধী বেশ বিচলিত হয়ে উঠেন। এক মাস পরেই ভারত-রাশিয়া মৈত্রী চুক্তি সম্পাদিত হয়।
জি ডব্লিউ চৌধুরীর বর্ণনায় ভারত-রাশিয়া মৈত্রী চুক্তির পরেই পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নেয়।তিনি লিখেছেন, রাশিয়ার সাথে ভারতের চুক্তির পরেই পাকিস্তানের সামরিক সরকার বুঝতে পারে যে ভারতের সাথে একটি যুদ্ধ আসন্ন এবং সে যুদ্ধে পাকিস্তান পরাজিত হবেই।
ভারত-রাশিয়া মৈত্রী চুক্তি
১৯৭১ সালের অগাস্ট মাসে রাশিয়ার সাথে একটি মৈত্রী চুক্তি করে ভারত। এই বিষয়টি ভীষণ চিন্তায় ফেলে আমেরিকাকে।
তখন আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার এই মৈত্রী চুক্তিকে ‘বোম্বশেল’ হিসেবে বর্ণনা করেন।
পাকিস্তানের সাথে ভারতের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে ভারত-সোভিয়েত ইউনিয়ন চুক্তিকে দায়ী করেন মি. কিসিঞ্জার।
‘হোয়াইট হাউজ ইয়ারস’ বইতে মি. কিসিঞ্জার লিখছেন, “সোভিয়েত ইউনিয়ন ভারতকে থামাতে পারতো। কিন্তু তারা সেটা করেনি। প্রকৃতপক্ষে মৈত্রী চুক্তির মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়ন যুদ্ধকে উসকে দিয়েছে।”
মি. কিসিঞ্জার লিখেছেন, ১৯৭১ সালের ২৪শে নভেম্বর ভারতীয় বাহিনী পাকিস্তানের সীমান্ত রেখা অতিক্রম করে ভেতরে ঢুকেছিল বলে ইন্দিরা গান্ধী স্বীকার করেন। একাজ তারা একবারই করেছিল বলে মিসেস গান্ধী বলেন।

ছবির উৎস,GETTY IMAGES ছবি: ক্যাপশান,হেনরি কিসিঞ্জার ১৯৭১ সালে আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন।
মূলত সোভিয়েত ইউনিয়নের সমর্থনের কারণেই ভারত সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়াতে সাহস করেছে।
১৯৭১ সালের ৩রা ডিসেম্বর ভারত পাকিস্তান আক্রমণের পর যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে যায় ভারত।
১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর ভারতের পার্লামেন্টে দেয়া এক বিবৃতির মাধ্যমে ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেন।
এর কয়েকদিন পরে, অর্থাৎ ৮ই ডিসেম্বর ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ এক রেডিও ভাষণে বলেন, ” আমাদের যোদ্ধারা এখন ভারতীয় সেনাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করছে এবং তাদের রক্ত আমাদের রক্তের ধারার সঙ্গে মিশে গিয়ে আমাদের মাটিতে বইছে।”
সে ভাষণে তাজউদ্দীন আহমেদ ইন্দিরা গান্ধীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ভারত যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে যাবার পরে মিত্র বাহিনী গঠন করা হয়। ভারতীয়রা যুদ্ধে জড়িয়ে যাবার কয়েকদিনের মধ্যেই যশোর, খুলনা, নোয়াখালী অতিদ্রুত ভারতীয় এবং মুক্তিবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। পাকিস্তানী বাহিনীর পরাজয় তখন শুধুই সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।
১৪ই ডিসেম্বর মধ্যে মিত্রবাহিনী ঢাকার কাছে পৌঁছে যায়।
পাকিস্তানী সেনা কর্মকর্তাদের হতাশা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ যতই এগিয়ে যাচ্ছিল, পাকিস্তানী সেনা কর্মকর্তাদের মাঝে সমন্বয়হীনতার বেড়েই চলেছিল। রণকৌশল প্রশ্নে একেক জনের মত ছিল একেক রকম।
১৯৭১ সালের যুদ্ধ নিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর তৎকালীন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যেসব বই লিখেছেন সেখানে একজন আরেকজনের উপর দোষ চাপিয়েছেন।
১৯৭১ সালে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর চীফ অব জেনারেল স্টাফ ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল গুল হাসান খান।
জেনারেল গুল হাসান খানের বর্ণনা অনুযায়ী ভারতের সাথে যুদ্ধ লেগে যাবার আগের মাসগুলোতে সেনা হেডকোয়ার্টার যেন অকার্যকর হয়ে পড়েছিল।
পাকিস্তানের তৎকালীন শীর্ষ এই সামরিক কর্মকর্তা ১৯৭১ সালের যুদ্ধের ঘটনা প্রবাহ নিয়ে ‘মেমোরিজ অব গুল হাসান খান’ শিরোনামে একটি বই লিখেছেন।সে বইতে তিনি লিখেছেন, জেনারেল নিয়াজি কখনো মনে করতেন না যে ভারত সরাসরি পাকিস্তানকে আক্রমণ করতে পারে।
“আমি অনুভব করলাম যে আমরা কেউ কারো কথা বুঝতে পারছি না। ভারত পাকিস্তানকে আক্রমণ করবে না – এ রকম আশ্বাস তাকে কে দিয়েছে আমার জানা ছিল না,” লিখেছেন জেনারেল গুল হাসান খান।
যুদ্ধের নীতি ও কৌশল সম্পর্কে পাকিস্তানী সেনা কর্মকর্তারা কতটা অন্ধকারে ছিলেন সেটির ধারণা পাওয়া যায় মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর বর্ণনা থেকে। ১৯৭১ সালে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন এবং সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে বেসামরিক প্রশাসনের দেখাশোনা করেছেন।
জেনারেল রাও ফরমান আলী লিখেছেন, ভারতীয়দের আক্রমণের খবরটিকে ‘ঠাট্টা’ বলে মনে করেছিলেন সেনা গোয়েন্দা সংস্থার (আইএসআই) প্রধান।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের অন্যতম উপদেষ্টা জি ডব্লিউ চৌধুরী লিখেছেন, ভারতের পক্ষে সুপার পাওয়ার সোভিয়েত ইউনিয়ন সবদিক থেকে সহায়তা করেছিল। অন্যদিকে পাকিস্তানের পক্ষে আমেরিকা এবং চীন শুধু নৈতিক সমর্থন দিয়েছিল। এই দুই দেশের কাছ থেকে পাকিস্তান কোন সামরিক সহায়তা পায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জি ডব্লিউ চৌধুরীর মতে, ১৯৭১ সালের যুদ্ধে পাকিস্তানকে পরাজিত করার পর ভারত এই উপমহাদেশে একটি আধিপত্যবাদী ভূমিকা পালন শুরু করে।
তবে বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য ভারতের ভূমিকাকে কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে বহু বাংলাদেশি।
স্বাধীনতাযুদ্ধে অবদানের জন্য ২০১২ সালে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মাননা জানানো হয় ৮৩জন বিদেশি নাগরিককে, যাদের মধ্যে ৩১জন ভারতীয় ছিলেন। ইন্দিরা গান্ধীকে মরণোত্তর সম্মাননা জানানোর মধ্য দিয়ে সে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছিল।
তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ বাংলা