Home » ভারতের প্রতিরক্ষা নীতিতে নতুন বার্তা: নিরাপত্তা, কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন ও দেশীয় অস্ত্রশিল্পে জোর ‘কোনো দেশের ভূখণ্ড দখলের আকাঙ্ক্ষা নেই, হুমকি এলে নিরাপত্তা রক্ষা করবে ভারত’

ভারতের প্রতিরক্ষা নীতিতে নতুন বার্তা: নিরাপত্তা, কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন ও দেশীয় অস্ত্রশিল্পে জোর ‘কোনো দেশের ভূখণ্ড দখলের আকাঙ্ক্ষা নেই, হুমকি এলে নিরাপত্তা রক্ষা করবে ভারত’

কর্তৃক SoJ0Vv3u1Ep13Rbq
ভারতের প্রতিরক্ষা নীতিতে নতুন বার্তা: নিরাপত্তা, কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন ও দেশীয় অস্ত্রশিল্পে জোর ‘কোনো দেশের ভূখণ্ড দখলের আকাঙ্ক্ষা নেই, হুমকি এলে নিরাপত্তা রক্ষা করবে ভারত’

ভারতের প্রতিরক্ষা নীতিতে নতুন বার্তা: নিরাপত্তা, কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন ও দেশীয় অস্ত্রশিল্পে জোর

‘কোনো দেশের ভূখণ্ড দখলের আকাঙ্ক্ষা নেই, হুমকি এলে নিরাপত্তা রক্ষা করবে ভারত’

আলাপচারিতা আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারত কোনো দেশের ভূখণ্ড দখল করতে চায় না, তবে জাতীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন হুমকির মুখে পড়লে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমন বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ নয়াদিল্লিতে এক প্রতিরক্ষা সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি শান্তি, জাতীয় ঐক্য ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কথা বলার পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ভারতের কঠোর অবস্থান এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার পরিকল্পনাও তুলে ধরেন।

রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্যে একই সঙ্গে দুটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে—একদিকে ভারত নিজেকে শান্তি ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার পক্ষের শক্তি হিসেবে তুলে ধরছে; অন্যদিকে জাতীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের প্রশ্নে প্রয়োজন হলে কঠোর পদক্ষেপের অধিকারও সংরক্ষণ করছে।

শান্তি, কিন্তু দুর্বলতা নয়

রাজনাথ সিং বলেন, ভারত শান্তিতে বিশ্বাস করে এবং কোনো দেশের ভূখণ্ড দখল করতে চায় না। তবে শান্তিকে দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, ভারত বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার পক্ষে হলেও সেই স্থিতিশীলতার বিনিময়ে নিজের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বিসর্জন দেবে না।

এই বক্তব্য ভারতের সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণাকে সামনে আনে—আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব থাকবে, কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ভারতের স্বাধীনতা বজায় থাকবে।

সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কঠোর অবস্থান

ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করে এমন কোনো দেশের সঙ্গে সংলাপের সুযোগ থাকা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন রাজনাথ সিং।

তিনি বলেন, যেসব দেশ রাষ্ট্রীয় নীতির হাতিয়ার হিসেবে সন্ত্রাসবাদ ব্যবহার করে অথবা সন্ত্রাসীদের আশ্রয় ও সহায়তা দেয়, তাদের বোঝাতে হবে যে সন্ত্রাসবাদ কোনো রাষ্ট্রের কৌশলগত সম্পদ হতে পারে না।

কোনো প্রতিবেশী দেশ সন্ত্রাসবাদে সমর্থনের নীতি অব্যাহত রাখলে ভারতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রয়েছে—এমন বক্তব্যও দেন তিনি।

এই অংশটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ভারতের প্রতিরক্ষা নীতিতে ‘সন্ত্রাসবাদ’ এখন কেবল অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয় নয়; প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্কের সঙ্গেও তা যুক্ত হচ্ছে।

জাতীয় ঐক্যকেও নিরাপত্তার অংশ হিসেবে দেখছে ভারত

রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্যে সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ঐক্যের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা শুধু সেনাবাহিনী বা নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্ব নয়; প্রত্যেক নাগরিকেরও দায়িত্ব রয়েছে। ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, অঞ্চল ও অন্যান্য পরিচয়ের বিভাজন অতিক্রম করে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অর্থাৎ ভারতের প্রতিরক্ষা ধারণায় নিরাপত্তাকে শুধু সীমান্ত, অস্ত্র বা সামরিক শক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সামাজিক সংহতির সঙ্গেও যুক্ত করা হচ্ছে।

‘সভ্যতাগত শক্তি’ হিসেবে ভারতের আত্মপরিচয়

রাজনাথ সিং ভারতকে একটি ‘সভ্যতাগত শক্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ভারতের উত্থান সংঘাত বা অন্যকে দুর্বল করার মাধ্যমে নয়, বরং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের মাধ্যমে।

তিনি ভারতের দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তি হিসেবে গণতান্ত্রিক ও সভ্যতাগত ঐতিহ্য, ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ এবং ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-এর কথা উল্লেখ করেন।

একই সঙ্গে সম্মান, সংলাপ, সমৃদ্ধি, নিরাপত্তা ও সংস্কৃতিকে ভারতের কৌশলগত নীতির পাঁচটি স্তম্ভ হিসেবে তুলে ধরেন।

গ্লোবাল সাউথে ভারতকে ‘বিশ্ববন্ধু’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। ভ্যাকসিন মৈত্রীর মাধ্যমে ১০০টির বেশি দেশে ৩০ কোটির বেশি টিকা সরবরাহ, ওষুধ, ডিজিটাল পেমেন্ট প্রযুক্তি ও অন্যান্য সহযোগিতার উদাহরণ দেন তিনি।

প্রতিরক্ষা আমদানিকারক থেকে রপ্তানিকারক

রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি ছিল ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিবর্তন।

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানি ছিল ৬৮৬ কোটি রুপি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা বেড়ে ৩৮ হাজার ৪২৪ কোটি রুপিতে পৌঁছেছে।

১০০টির বেশি দেশে ভারতীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানি হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

আগের ৩০ হাজার কোটি রুপির রপ্তানি লক্ষ্য অর্জনের পর ২০২৯ সালের মধ্যে ৫০ হাজার কোটি রুপির নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ক্ষুদ্র অস্ত্র বা সরঞ্জামের পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র, রাডার, গোলাবারুদ ও অন্যান্য প্রতিরক্ষা প্ল্যাটফর্মের আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতীয় উপস্থিতি বাড়ানোর বিষয়টিকে তিনি প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক আস্থার প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরেন।

বাড়ছে প্রতিরক্ষা ব্যয়

ভারতের প্রতিরক্ষা বাজেটও গত এক দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে রাজনাথ সিং জানান।

তার দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভারতের প্রতিরক্ষা বরাদ্দ ৭.৮৫ লাখ কোটি রুপি। ২০১৩-১৪ সালে যা ছিল প্রায় ২.৫৩ লাখ কোটি রুপি।

চলতি অর্থবছরের মূলধনী প্রতিরক্ষা ক্রয় বাজেটের প্রায় ৭৫ শতাংশ—প্রায় ১.৩৯ লাখ কোটি রুপি—দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প থেকে সরঞ্জাম কেনার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

এটি শুধু সামরিক ক্রয়ের নীতি নয়; একই সঙ্গে দেশীয় শিল্প, প্রযুক্তি, কর্মসংস্থান এবং সরবরাহব্যবস্থাকে প্রতিরক্ষা অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করার একটি প্রচেষ্টা।

যুদ্ধের নতুন ক্ষেত্র: আকাশ, মহাকাশ থেকে সাইবার জগৎ

রাজনাথ সিং বলেন, আধুনিক যুদ্ধ এখন আর শুধু স্থল, সমুদ্র ও আকাশে সীমাবদ্ধ নেই।

সাইবার, মহাকাশ, ইলেকট্রনিক ও তথ্যযুদ্ধের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ড্রোন, স্বায়ত্তশাসিত ব্যবস্থা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং হাইপারসনিক প্রযুক্তি ভবিষ্যৎ যুদ্ধের চরিত্র বদলে দিচ্ছে।

এ কারণে ভারতের লক্ষ্য শুধু প্রচলিত অস্ত্র তৈরি নয়; বরং ভবিষ্যৎ যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তৈরি করা।

আমদানিনির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনা

ভারতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন রাজনাথ সিং।

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সশস্ত্র বাহিনীর পাঁচটি ‘পজিটিভ ইন্ডিজেনাইজেশন লিস্টে’ ৫০৯টি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, অস্ত্রব্যবস্থা ও প্ল্যাটফর্ম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলোর তালিকায় ৫,৪১৭টি পণ্য ও উপাদান রয়েছে, যার প্রায় ৩,৩০০টি দেশীয়ভাবে উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করেছে বলে তিনি জানান।

‘শ্রীজন’ কর্মসূচির মাধ্যমে আমদানির বিকল্প হিসেবে প্রায় ৩৩ হাজার পণ্য চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার ৭০০টি দেশীয়ভাবে উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

বেসরকারি শিল্প ও স্টার্টআপের প্রবেশ

ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণও বাড়ছে।

রাজনাথ সিংয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্পব্যবস্থায় এখন রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা সংস্থার পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ১৬ হাজারের বেশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, স্টার্টআপ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান যুক্ত রয়েছে।

উত্তর প্রদেশ ও তামিলনাড়ুর প্রতিরক্ষা শিল্প করিডোরে প্রায় ৭০ হাজার কোটি রুপির বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে এবং প্রায় ১০ হাজার কোটি রুপি ইতোমধ্যে বিনিয়োগ হয়েছে বলে তিনি জানান।

ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে বেসরকারি খাত

বক্তব্যের একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘোষণা হলো, DRDO-এর তৈরি প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি যোগ্য ভারতীয় বেসরকারি শিল্পের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত।

এর ফলে নির্বাচিত ভারতীয় কোম্পানিগুলো ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে অংশ নিতে পারবে।

এর মাধ্যমে DRDO-কে মূলত গবেষণা ও উন্নয়নে আরও বেশি মনোযোগী করা এবং উৎপাদনে শিল্পখাতকে বৃহত্তর ভূমিকা দেওয়ার একটি কাঠামো তৈরি হচ্ছে।

৫০ হাজার কোটি রুপির রপ্তানি লক্ষ্য—কী বোঝায়?

রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্যের সামগ্রিক চিত্রে ভারতের প্রতিরক্ষা নীতির তিনটি প্রবণতা দেখা যায়।

প্রথমত, কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন—ভারত নিরাপত্তা সিদ্ধান্তে নিজের স্বাধীনতা বজায় রাখতে চায়।

দ্বিতীয়ত, প্রতিরক্ষা শিল্পের দেশীয়করণ—আমদানি কমিয়ে দেশীয় প্রযুক্তি ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো।

তৃতীয়ত, বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা বাজারে প্রবেশ—নিজের সামরিক প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি ভারতীয় প্রতিরক্ষা পণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিষ্ঠিত করা।

এই তিনটি প্রবণতা একত্রে দেখলে বোঝা যায়, ভারতের প্রতিরক্ষা নীতি এখন শুধু সীমান্ত নিরাপত্তা বা সামরিক প্রস্তুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে শিল্পনীতি, প্রযুক্তি, জ্বালানি নিরাপত্তা, সরবরাহব্যবস্থা, গবেষণা এবং বৈশ্বিক কূটনীতিও যুক্ত হচ্ছে।

আলাপচারিতার পর্যবেক্ষণ

রাজনাথ সিংয়ের ২৭ সেপ্টেম্বরের বক্তব্যকে ভারতের সরকারি প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত অবস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত বার্তা হিসেবে দেখা যায়। তবে বক্তব্যে উল্লিখিত রপ্তানি, বাজেট, দেশীয়করণ ও উৎপাদনের পরিসংখ্যানগুলো মূলত ভারত সরকারের দেওয়া তথ্য; সেগুলোর স্বাধীন যাচাই এবং তুলনামূলক আন্তর্জাতিক তথ্য দিয়ে মূল্যায়ন আলাদা বিষয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটি হলো—ভারত একই সঙ্গে শান্তি, কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন, সামরিক প্রস্তুতি এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের বৈশ্বিক সম্প্রসারণকে এগিয়ে নিতে চাইছে।

‘কোনো দেশের ভূখণ্ড দখল নয়’—এই রাজনৈতিক বার্তার পাশাপাশি ‘হুমকি এলে নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন রক্ষা’ করার ঘোষণা ভারতের প্রতিরক্ষা নীতির প্রতিরোধমূলক বা deterrence-কেন্দ্রিক দিকটিও স্পষ্ট করে।

দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্যের তাৎপর্য এখানেই—ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার পরিবর্তন শুধু ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা হিসাব, সামরিক পরিকল্পনা, কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যেও এর প্রভাব পড়তে পারে।