আন্দা ফিলিপের ঢাকা সফর: আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নয়, সংসদের কার্যকারিতাই এখন বাংলাদেশের পরীক্ষা

আন্দা ফিলিপ ১ জুলাই ২০২৬ আইপিইউর দশম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং ৩০ আগস্ট–২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সফর করেন। আইপিইউ নিজেই সফরটিকে বাংলাদেশের চলমান সংসদীয় সংস্কার প্রক্রিয়ায় সম্ভাব্য কারিগরি সহায়তার পথ খোঁজার মিশন হিসেবে বর্ণনা করেছে।
আইপিইউ মহাসচিবের ঢাকা সফর: বাংলাদেশের সংসদীয়
গণতন্ত্রের জন্য কী বার্তা?
আনুষ্ঠানিক সফরের আড়ালে সংসদীয় সংস্কারের বড় প্রশ্ন
ঢাকায় ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন—আইপিইউর মহাসচিব আন্দা ফিলিপের সাম্প্রতিক সফরকে নিছক একটি কূটনৈতিক সৌজন্য সফর হিসেবে দেখলে এর রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক গুরুত্বের একটি বড় অংশই অনালোচিত থেকে যায়। একইভাবে এটিকে কোনো গোপন রাজনৈতিক মিশন বা নাটকীয় আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখারও কারণ নেই।
বরং উপলব্ধ তথ্য বলছে, এটি ছিল বাংলাদেশের সংসদীয় প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে একটি কাঠামোবদ্ধ মূল্যায়নমূলক সফর। আইপিইউ নিজেই জানিয়েছে, তাদের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের চলমান সংসদীয় সংস্কার প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যৎ কারিগরি সহায়তার সুযোগ চিহ্নিত করতে এসেছিল।
এই দিকটিই সফরটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।
আন্দা ফিলিপ ২০২৬ সালের ১ জুলাই আইপিইউর দশম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি একই সঙ্গে সংস্থাটির ইতিহাসে প্রথম নারী এবং প্রথম পূর্ব ইউরোপীয় মহাসচিব। এর মাত্র দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশের মতো রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাওয়া একটি দেশে তাঁর নেতৃত্বে আইপিইউ প্রতিনিধিদলের সফরটি তাই বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
কেন এই সফর গুরুত্বপূর্ণ?
বাংলাদেশ দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা, সাংবিধানিক বিতর্ক, প্রতিষ্ঠানগত দুর্বলতা এবং রাজনৈতিক মেরুকরণের মধ্য দিয়ে একটি নতুন সংসদীয় পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর নির্বাচন এবং পরবর্তী নতুন সংসদের কার্যক্রম সেই পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
আইপিইউর ভাষায়, সফরটি এমন এক সময়ে হয়েছে যখন বাংলাদেশ সংসদীয় সংস্কারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। প্রতিনিধি দলটি সরকার, সংসদ, বিরোধী দল, নারী সংসদ সদস্য এবং অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করেছে।
অর্থাৎ, আইপিইউ শুধু সরকারের বক্তব্য শোনেনি; সংসদের বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে। এটি সংসদীয় গণতন্ত্রের একটি মৌলিক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ—সরকার ও বিরোধী দল উভয়ের অংশগ্রহণ ছাড়া কার্যকর সংসদ গড়ে ওঠে না।
আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল সংসদ—সরকার নয়
সফরটির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, আলোচনার মূল ক্ষেত্র ছিল সংসদীয় প্রতিষ্ঠান।
আইপিইউর তথ্য অনুযায়ী, আলোচনায় উঠে এসেছে—
সংসদীয় সংস্কার;
আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া;
সংসদীয় প্রশাসন ও গবেষণা সক্ষমতা;
তরুণদের সংসদীয় প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ;
নারী সংসদ সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধি;
সংসদ ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপ;
সংসদীয় কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।
বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকেও আইপিইউ প্রতিনিধিদলকে সংসদের কার্যপ্রণালি, কমিটি ব্যবস্থা এবং আইন প্রণয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।
এখানেই সফরটির প্রকৃত তাৎপর্য।
কারণ একটি সংসদ শুধু আইন পাস করার জায়গা নয়। সংসদ হলো সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রতিষ্ঠান, বিরোধী মত প্রকাশের সাংবিধানিক ক্ষেত্র এবং রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণের অন্যতম প্রধান মঞ্চ।
‘কার্যকর সংসদ’ বলতে কী বোঝায়?
বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে সংসদীয় গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় দুর্বলতাগুলোর একটি ছিল—সংসদ থাকা এবং কার্যকর সংসদ থাকা এক বিষয় নয়।
একটি সংসদে নিয়মিত অধিবেশন হতে পারে, আইন পাস হতে পারে, বাজেট অনুমোদিত হতে পারে। কিন্তু যদি—
সংসদীয় কমিটি কার্যকরভাবে মন্ত্রণালয়কে জবাবদিহির মধ্যে না আনে;
বিরোধী দলের মতামত গুরুত্ব না পায়;
সংসদ সদস্যরা পর্যাপ্ত গবেষণা সহায়তা না পান;
আইন প্রণয়নের আগে পর্যাপ্ত পর্যালোচনা না হয়;
সংসদীয় বিতর্ক দলীয় নির্দেশনার বাইরে নীতিগত আলোচনায় পরিণত না হয়,
তাহলে সেটিকে শক্তিশালী সংসদ বলা কঠিন।
আইপিইউর সম্ভাব্য কারিগরি সহযোগিতার জায়গাটি তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আন্তর্জাতিক সংসদীয় অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশ যদি সংসদীয় কমিটি, গবেষণা বিভাগ, আইন প্রণয়ন বিশ্লেষণ, সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ এবং সংসদীয় নজরদারি ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে পারে, তাহলে সেটি শুধু সংসদের দক্ষতা নয়—রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতাও বাড়াতে পারে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা: সরকার বনাম বিরোধী দল
আইপিইউর সফরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হলো সংসদীয় অন্তর্ভুক্তি।
আন্দা ফিলিপ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান, নারী সংসদ সদস্য এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
এটি নিছক প্রটোকল নয়।
একটি কার্যকর সংসদে সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠ হবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতা যেন বিরোধী মতকে অপ্রয়োজনীয় করে না তোলে, সেটিই গণতন্ত্রের বড় পরীক্ষা।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সংসদীয় সংস্কারের সাফল্য তাই নির্ভর করবে শুধু সরকার কতটি আইন পাস করল তার ওপর নয়; বরং বিরোধী দল কতটা কার্যকরভাবে প্রশ্ন করতে পারল, সংসদীয় কমিটি কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করল এবং সরকারের সিদ্ধান্ত কতটা সংসদীয় পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে গেল—তার ওপর।
আইপিইউ কি বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘হস্তক্ষেপ’ করছে?
এই প্রশ্নও উঠতে পারে
আইপিইউ কোনো সরকার পরিবর্তনের প্রতিষ্ঠান নয়। এটি আন্তঃসংসদীয় সহযোগিতা ও সংসদীয় কূটনীতির আন্তর্জাতিক সংগঠন। তাদের ঘোষিত কাজের মধ্যে রয়েছে সংসদ ও সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে শান্তি, গণতন্ত্র ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়া।
বাংলাদেশ সফর সম্পর্কেও আইপিইউর নিজস্ব ভাষ্য হচ্ছে—parliamentary reform এবং technical support।
অতএব এটিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সরাসরি হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখার চেয়ে বরং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির আন্তর্জাতিক সহযোগিতা হিসেবে দেখা বেশি যৌক্তিক।
তবে এর অর্থ এই নয় যে আইপিইউর সফরের কোনো রাজনৈতিক তাৎপর্য নেই।
বরং এর রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে অন্য জায়গায়—বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে কার্যকর হচ্ছে, সেটি এখন আন্তর্জাতিক সংসদীয় সম্প্রদায়ের পর্যবেক্ষণের মধ্যেও আসছে।
গণতন্ত্রের পুনর্গঠন: সবচেয়ে কঠিন কাজটি এখন শুরু
বাংলাদেশে নির্বাচন আয়োজন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। কিন্তু নির্বাচনই গণতন্ত্রের শেষ কথা নয়।
নির্বাচনের পর প্রশ্নগুলো আরও কঠিন:
সংসদ কতটা কার্যকর হবে?
বিরোধী দল কতটা স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারবে?
আইন প্রণয়নে কতটা গবেষণা থাকবে?
সংসদীয় কমিটি কতটা শক্তিশালী হবে?
সরকার কতটা জবাবদিহি করবে?
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকবে?
আইপিইউর সফর মূলত এই দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশ্নগুলো সামনে নিয়ে এসেছে।
আইপিইউ জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশে তরুণদের আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ এবং নারী সংসদ সদস্যদের জন্য অধিকতর সহায়তার বিষয়েও গুরুত্ব দিয়েছে।
এগুলো ভবিষ্যৎ সংসদের চরিত্র নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
রোহিঙ্গা ইস্যুতেও সংসদীয় কূটনীতির সুযোগ
সফরের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো রোহিঙ্গা সংকট।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বিশ্বব্যাপী সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটকে আন্তর্জাতিক এজেন্ডায় আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।
এখানে বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সম্ভাবনা রয়েছে।
রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু দ্বিপক্ষীয় বাংলাদেশ–মিয়ানমার সমস্যা হিসেবে না দেখে আন্তর্জাতিক সংসদীয় কূটনীতির বিষয় হিসেবে সামনে আনা গেলে ইউরোপ, এশিয়া, উত্তর আমেরিকা এবং অন্যান্য অঞ্চলের সংসদ সদস্যদের সমর্থন সংগঠিত করা সম্ভব হতে পারে।
তবে শুধু বিদেশি সহায়তায় সংসদ শক্তিশালী হবে না
এখানেই সবচেয়ে বড় সতর্কতার জায়গা।
আইপিইউ কারিগরি সহায়তা দিতে পারে। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দিতে পারে। প্রশিক্ষণ দিতে পারে। সংসদীয় সংস্কারের মডেল দেখাতে পারে।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত সংসদকে কার্যকর করবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি।
যদি রাজনৈতিক দলগুলো সংসদকে কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রদর্শনের জায়গা হিসেবে দেখে, তাহলে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও সীমিত ফল দেবে।
সংসদকে কার্যকর করতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি ন্যূনতম গণতান্ত্রিক সমঝোতা প্রয়োজন।
ক্ষমতায় থাকলে সরকারকে জবাবদিহি মানতে হবে; বিরোধী দলে থাকলে সংসদকে অকার্যকর করার রাজনীতি এড়িয়ে যেতে হবে।
এই ভারসাম্যই সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল পরীক্ষা।
সামনে বাংলাদেশের জন্য পাঁচটি অগ্রাধিকার
আইপিইউর সফরকে বাস্তব ফলাফলে পরিণত করতে বাংলাদেশ চাইলে পাঁচটি ক্ষেত্রে দ্রুত এগোতে পারে।
প্রথমত, সংসদীয় কমিটিকে শক্তিশালী করা।
মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কমিটিকে অধিকতর কার্যকর করতে হবে।
দ্বিতীয়ত, সংসদীয় গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি।
প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বিলের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংবিধানিক প্রভাব বিশ্লেষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
তৃতীয়ত, বিরোধী দলের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দল কোনো বাধা নয়; বরং সরকারের জবাবদিহির সাংবিধানিক অংশীদার।
চতুর্থত, নারী ও তরুণ সংসদ সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধি।
আইপিইউ ইতোমধ্যেই এ বিষয়কে অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
পঞ্চমত, সংসদীয় কূটনীতিকে রাষ্ট্রীয় কূটনীতির সম্পূরক শক্তিতে পরিণত করা।
রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য, অভিবাসন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয়ে সংসদ সদস্যদের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ককে কাজে লাগানো যেতে পারে।
সফর নয়, ফলাফলই হবে আসল পরীক্ষা
আন্দা ফিলিপের ঢাকা সফরকে তাই অতিরঞ্জিত করারও প্রয়োজন নেই, অবমূল্যায়ন করারও সুযোগ নেই।
এটি ছিল একটি আনুষ্ঠানিক সংসদীয় কূটনৈতিক সফর—কিন্তু সেই আনুষ্ঠানিকতার ভেতরে ছিল বাংলাদেশের সংসদীয় প্রতিষ্ঠানকে পুনর্গঠন করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
আইপিইউ বলছে, তারা বাংলাদেশের সংসদীয় সংস্কারে সম্ভাব্য কারিগরি সহায়তার পথ খুঁজছে।
এখন প্রশ্ন হলো—বাংলাদেশ সেই সুযোগ কীভাবে ব্যবহার করবে?
আইপিইউ পরামর্শ দিতে পারে।
আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দিতে পারে।
প্রশিক্ষণ দিতে পারে।
কিন্তু একটি কার্যকর সংসদ তৈরি করতে পারবে কেবল বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল, সংসদ সদস্য এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো।
সুতরাং আন্দা ফিলিপের সফরের প্রকৃত মূল্যায়ন হবে তাঁর সফরের ছবি, বৈঠক কিংবা বিবৃতিতে নয়—বরং আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের সংসদ কতটা জবাবদিহিমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক, গবেষণাভিত্তিক এবং কার্যকর হয়ে উঠছে, তার ওপর।
সফর শেষ হয়েছে ২ সেপ্টেম্বর। কিন্তু সংসদীয় সংস্কারের আসল পরীক্ষা এখন শুরু।
তথ্যসূত্র: inter-parliamentary Union,BSS

